This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৭

মোবাইল ফোন নিয়ে শ্রেণীকক্ষে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
এখন থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শ্রেণীকক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।
রোববার এ নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আদেশ জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। এটি মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

সংস্থাটির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই আদেশে এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে যে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষক-শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করছেন বা শ্রেণীকক্ষে মোবাইল ফোনে কথা বলছেন।

এতে শ্রেণীকক্ষে শিখন-শেখানো কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা শ্রেণীর কার্যক্রমে মনোযোগী হতে পারছে না। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত।

এমতাবস্থায় শ্রেণীকক্ষে কার্যকরী পাঠদান ও শিখন-শেখানো কার্যক্রম শিক্ষার্থীবান্ধব ও গতিশীল করতে শ্রেণীকক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ না করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসনের তিন স্তরের কর্মকর্তাদেরই এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। 

এর আগে প্রশ্নপত্র ফঁাসের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শিক্ষকদের ওপর পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

রবিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৭

             সংগ্রহ
     Naim IsteGaffar 
"হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়""
এটি কক্সবাজার জেলার, চকরিয়া উপজেলার অন্তর্গত হারবাং এ বিদ্যালয়টি অবস্তিত।
চকরিয়া উপজেলার ইতিহাসে ভেসে আছে হারবাং এর এই বিদ্যালয়টি।
আজ এই বিদ্যালয়ের ইতিহাস,
শিক্ষার্থীরা নিতে পারছে না সতেজ নিশ্বাস। 
একমাত্র বিদ্যালয়ের প্রদান শিক্ষক ""তপন কুমার ধরের"" নষ্ঠ চরিত্রের কারণে।
প্রধান শিক্ষক কিভাবে অর্থের লোভে, শত শত শিক্ষার্থী কাছে নিচু হতে পারে।
আজ তার এই চরিত্রাহীন, এর কারণে তার বিরুদ্ধে পুরু হারবাং বাসী।
ফেসবুকে, ইন্টারনেটে পর্যন্ত তার চরিত্রহীনে কারণে সবার কাছে ছোট হয়ে গেল।
""শিক্ষার চরিত্রহীন প্রতিরোধে গড়বো দেশ,
সঠিক শিক্ষা তে বদলে দেব বাংলাদেশ''''''
কথায় বলে, চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ।
কোটি টাকা হারিয়ে গেলে পাওয়া হয়তো সম্ভব,
কিন্তু যে ব্যক্তি একবার চরিত্র হারিয়ে পেলে কোটি টাকার বিনিমেয় পাওয়া অসম্ভব।













HARBANG ADARSHA ACADEMY 2017 সালের PSC পরীক্ষার্থীরা

শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

টিনের চাউনিতে ২৫০ শিক্ষার্থীর পাঠ

ক্লাসের পড়া না হলেও নেই শিক্ষকের বকুনির ভয়। নেই পড়া-লেখার কোন একঘেঁয়েমি। তাই তো ইচ্ছা হলে পড়ার ফাঁকে ফাঁকে ছোট্ট এসব শিশুরা মেতে ওঠে হাসি-আনন্দ, খেলাধুলা আর নাচ-গানে।
এ যেন বিদ্যালয়ের চিরায়ত ধারণা ছাপিয়ে এটি একটি পরিবার, একটি সমাজ, একটি বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে ঠাঁই করে নিয়েছে শিশু শিক্ষার্থীদের মনে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ধারণা পাল্টে দেওয়া অন্যরকম এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি কোনো সরকারি বা এনজিও পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়।

বলছি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নে ০৮নং ওয়ার্ডে প্রত্যন্ত এলাকায় ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে তোলা “বৃন্দাবনখীল প্রাথমিক বিদ্যালয়” নামের অনন্য এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথা।

এই বৃন্দাবনখীল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার আলো বিলিয়ে চলেছেন আলোর দিশারী হয়ে ওঠা শিক্ষানুরাগী জয়নাল আবেদীন ও ফরিদা ইয়াসমিন নামে দুই ব্যক্তি।
প্রত্যন্ত অজপাড়া গায়ের অবহেলিত দরিদ্র শিশুদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ও পড়াশুনায় আগ্রহ বাড়াতে ২০১১ সাল থেকে ব্যতিক্রম এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তারা।
বিদ্যালয়টির সবচেয়ে ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য এখানে পড়াশুনা হয় শিশুদের আগ্রহ অনুযায়ী। নেই প্রচলিত গৎবাঁধা সময়সূচি, শিক্ষকের গাম্ভীর্য ও নিয়মের সাত-পাঁচ। এখানকার সব শিশুরাই নিজেদের রাজ্যের রাজা। শিশুরা এখানে হেসে-খেলে শেখে নিজেদের পাঠ। পাশাপাশি তাদের দেওয়া হয় দেশপ্রেম ও সংস্কৃতির ধারণা।
এ অঞ্চলের আলোর দিশারী হয়ে ওঠা ও বৃন্দাবনখীল প্রাথমিক বিদ্যালয় স্বপ্নদ্রষ্টা জয়নাল সামন্য একজন স্কুলের ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী।
সমাজে শিশুদের গৎবাঁধা নিয়মের পড়াশোনা ও জবরদস্তি তাকে ভাবাতো। একান্তে পড়ালেখাকে ছোট্ট শিশুদের কাছে খেলাধুলার মতন আনন্দদায়ক করে তোলার পথ খুঁজে ফিরতেন তিনি। অবশেষে নিজের মধ্যেই খুঁজে পান পথ ও পাথেয়। তার হাতে গড়ে ওঠা বৃন্দাবনখীল প্রাথমিক বিদ্যালয় এখন এক আলোকবর্তিকার নাম।
যেভাবে পথচলা শুরু
কক্সবাজার জেলা শহর থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দূরে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম বৃন্দাবনখীল। গ্রামের অধিকাংশ মানুষের প্রধান পেশা কৃষিকাজ।
আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ২০১১ সালে বৃন্দাবনখীল গ্রামের ফরিদা ইয়াসমিনের দান (পাহাড়ী বনভুমি) করা জায়গায় ৫০ জন শিশুকে নিয়ে শুরু করেন ‘বৃন্দাবনখীল প্রাথমিক বিদ্যালয়’ নামে শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাত্রা।
বর্তমান অবস্থা
গত ছয় বছরে জয়নাল ও ফরিদার অনেক প্রতিকুল অবস্থা গেছে। তবে তাতে একটু দমে যাননি তারা। গ্রামের মানুষের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে চলেছে তাদের কাজ।
অল্প পরিমান জমিতে টিনশেডের ঘর বেঁধে চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম। ৫০ জন শিশুকে শুরু করা শিশু শ্রেণির বিদ্যালয়টি ছয় বছরে পেরিয়ে এখন পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত করা হয়েছে। বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তার বিদ্যালয়য়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখন ২৫০ জন।
জয়নাল আবেদীন বলেন- উত্তর হারবাং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেলাল আহমদের সহযোগিতায় প্রতি বছর বিনা মূল্যে বই সংগ্রহ করি উপজেলা থেকে। বই পেলেও স্কুলটি পাহাড়ের উপর হওয়ার প্রতি বর্ষাতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ।গেল ঝড়ে স্কুল ঘর ব্যপক ভাবে ক্ষতি হয় । এখন মেরামত করার মত টাকা আমাদের বা পাড়া প্রতিবেশীদের নেই কারণ এলাকার সবাই গরিব ও অসহায় আর আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে সহায়তার জন্য আবেদন করেছি কিন্তু কোন প্রকার সহযোগিতা এখনো পায়নি, সরকার বা কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্টান আমাদের সহযোগিতা করে তাহলে এই অবেহেলীত অজপাড়া গাঁয়ের স্কুলটি সমাজে ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে পারবে

সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৭